# Tags

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে অভিযান পরিচালিত

আব্দুর রউফ ভুঁইয়া, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি-কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার করগাও এর হাওরে মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন- ১৯৫০ (সংশোধিত) এর আওতায় কটিয়াদি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তর, এর বাস্তবায়নে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কাউসার মিয়া’র নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বাট্টা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কর্মকর্তা এস আই মাসুদ সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থেকে অভিযানিক দল কে সহযোগিতা করেন। এ সময় উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মচারী বৃন্দরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় করগাও ইউনিয়নের হাওরের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল এবং কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হয়। অভিযান কালে ৪০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দকরা হয় যার আনুমানিক দৈর্ঘ্য – ৮০০ মিটার আনুমানিক মূল্য- ১৫০০০০/- টাকা।১০ টি
কারেন্ট জাল জব্দকরা হয় যার আনুমানিক দৈর্ঘ্য- ৭০০ মি
আনুমানিক বাজার মূল্য – ১০০০০ টাকা।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কাউসার মিয়া বলেন, মৎস্য আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জেলেদের এসব অবৈধ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। যারা অবৈধ চায়না ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই জাল দিয়ে মাছ ধরার ফলে শুধু বড় মাছই নয়, মাছের পোনা, ডিম এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হয়। এর ফলে আমাদের মৎস্য সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও হুমকি।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কাউসার মিয়া সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মানুষের অতি লোভের কারণে নদ, নদী, খাল, বিলের জলজ সম্পদ আজ বিপন্ন। তাই এই বর্ষা মৌসুমে এমন অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

এ ধরনের অভিযানে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।